Avoid Toxic People
উপদেশ দিতে সবাই পারে, এটা
প্রতিটি মানুষের মধ্যে বিল্ট ইন থাকে। সেই সুবাধে আমিও চাঞ্চ পাইলেই অনলাইন অফলাইন
কিছু উপদেশ দিয়ে থাকি। তেমনি সেদিন একজনের সাথে কথা হচ্ছিলো – বিষয় কর্পোরেটের নেগেটিভ
মাইন্ডেড পিপলদের নিয়ে। তার প্রশ্নটা এমনঃ
-
চারপাশে এত নেগেটিভ
মানুষের ভীড়ে কি করা উচিৎ? মানে কি করলে এদের থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে?
অনান্য কথার ভীড়ে এই প্রশ্নের
উত্তর দেওয়া হলো না। ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে হঠাত যে ব্যাপারটা সবার আগে মাথায়
আসলো সেটা হচ্ছে নেগেটিভ মাইন্ডেড মানুষ গুলো প্রথমত “নোংরা”। হ্যাঁ এটাই ঠিক। তারপর
মাথায় এলো, নোংরা থেকে আমরা দূরে থাকি, হঠাত মাথায় এলো ঢাকা শহরের ডাস্টবিনের কথা।
গুগুলে ‘ডাস্টবিন ঢাকা শহর’ লিখে সার্চ দিয়েই কোন একটা বাংলা পেপারের লিংক এলো নিচের
ছবিটাসহ। এই ছবির মাঝেই আমি পারফেক্ট উত্তর খুঁজে পেলাম। আমি নিজে উত্তরে স্যাটিস্ফাইড।
আসুন দেখি ছবির সাথে উত্তরের কানেকশন কি?
নেগেটিভ মাইন্ডেড পিপলস হলো
একেকটা “ডাস্টবিন”। ডাস্টবিন দেখলে বা ডাস্টবিনের সাথে আপনি ঠিক যেমনটি করেন ঐ সকল
ব্যাক্তির সাথেও ঠিক তাই-ই করবেন। ডাস্টবিনের পাশে কেউ দাড়িয়ে থাকে না বা অপেক্ষা করে
না। সেখান থেকে দূরে সড়ে যায়। কারণ তা থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। মানুষ এটা থেকে দূরে থাকে।
এই ডাস্টবিনের মত লোকের অভাব নেই। এদের থেকে দূরে থাকুন।
এই ছবিতে ডাস্টবিনের পাশ দিয়ে যারা হেঁটে যাচ্ছে তাদের যদি অল্টারনেটিভ অপশন থাকতো তাহলে নিশ্চয় এই পথ দিয়ে যেতো না। এবার ছবিটি লক্ষ্য করুন, পথচারীরা কিন্তু অল্টারনেটিভ না থাকায় এই নোংরা দুর্গন্ধযুক্ত পথ দিয়েই যাচ্ছে, তবে নাকে হাত দিয়ে। আসুন এবার মিলিয়ে দেখি, আপনার অফিসেও পজিটিভ থেকে নেগেটিভ লোকের সংখ্যা বেশি, অনেকে আবার সিনিয়র, চাকরি বাঁচাতে আপনি অনেক কিছুই করতে পারেন না অথচ মানুষিকভাবেও ঠিক ভাল থাকতে পারছেন না, তাদের জন্য আমার বক্তব্য - কি আর করবেন? আপনার তো অল্টারনেটিভ নেই, নাক ধরেই পথ অতিবাহিত করুন। অফিসে তো আর নাক ধরে বসে থাকতে পারবেন না, মনের নাক টা চেপে ধরে অফিস করেন আর ডাস্টবিন ক্যারেক্টার থেকে দূরে থাকেন।
আর যানেন তো-



No comments: